শেরপুরে শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে লম্পট ভগ্নিপতি গ্রেফতার

Views
Charu Barta24 । । চারু বার্তা ২৪

বোনের সন্তানকে দেখতে এসে ধর্ষিত

বিশেষ প্রতিনিধি:
বোনের বাচ্চা দেখতে এসে শেরপুরে ধর্ষিত হয়েছে এক শ্যালিকা। আর শ্যালিকাকে (১৯) ধর্ষণ করে ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণের অভিযোগে মুন্না খান (২৮) নামে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১২ অক্টোবর সোমবার দুপুরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুন্না সদর উপজেলার সাপমারী গ্রামের আব্দুস সামাদ খানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর মুন্না খানের স্ত্রীর সিজারে বাচ্চা হয়। বোনের দেখাশোনা করার জন্য মুন্না তার বিবাহিত শ্যালিকাকে ফরিদপুরের শ্বমুর বাড়ী থেকে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। দু’দিন থাকার পর শ্যালিকা ফরিদপুরে চলে যেতে চাইলে মুন্না তাকে ঢাকা পর্যন্ত ছেড়ে দেবেন বলে রবিবার সকালে গাড়িতে করে শেরপুর শহরের রাজবল্লভপুরের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে সে সকাল থেকে কয়েক দফায় তাকে ধর্ষণ করে এবং কয়েকজনের সহযোগিতায় ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণ করে। ওইসময় লম্পট মুন্না ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়। নিরুপায় হয়ে রবিবার রাতে শ্যালিকা ৯৯৯ ফোন করে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ রাজবল্লভপুরের বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে ওই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে লম্পট ভগ্নিপতি ও তার ৩ সহযোগীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফী আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে শেরপুর শহরের রাজবল্লভ পুর এলাকা থেকে লম্পট মুন্নাকে গ্রেফতার করে। পরে আজ বিকেলে ৫দিনের রিমান্ডের আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠালে আদলত আগামী বুধবার রিমান্ডের শুনানীর দিন ধার্য করে তাকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।
একই দিন সন্ধ্যায় ধর্ষিতা শ্যালিকাকে জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল আলম ভুঁইয়া বলেন, ওই ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর থানায় ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফী আইনের পৃথক দু’টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ধর্ষক ভগ্নিপতিকে পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সহযোগী অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Charu Barta24 । । চারু বার্তা ২৪

মন্তব্য করুন