৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন শেরপুর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামের কাজ শেষ হবে জুনে

Views
Charu Barta24 । । চারু বার্তা ২৪

শাহরিয়ার শাকির :
শেরপুর জেলা শহরে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মানের দাবী ছিল দীর্ঘদিনের। আর এ দাবীর প্রেক্ষিতে শেরপুর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি সেডিয়ামটি আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রালয় এ স্টেডিয়ামকে আধুনিকায়নের জন্য ৪০ কোটি টাকা বরাদ্ধ প্রদান করেন। জাতীয় সংসদের হুইপ বীরমুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক এ জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে দ্রুতগতিতে স্টেডিয়ামের কাজ এগিয়ে চলছে। ঢাকার দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ স্টেডিয়ামের নতুন গ্যালারী, ২টি ভিভিআইপি গ্যালারী, আধুনিক প্যাবলিয়ন ভবন, ইনডোর স্টেডিয়াম, পুরাতণ ভবন সংস্কার করে প্রেস বক্সে রুপান্তর, পুরাতণ গ্যালারী সংস্কার, বাউন্ডারী পূনঃ নির্মান, মাঠ উচু ও উন্নত করণ, আভ্যন্তরিন ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা নির্মান, রাস্তার দু’পাশ্বে ওয়াক ওয়ে নির্মান, একটি ডাবল ও একটি সিঙ্গেল গেইট নির্মান।


আগামী জুন মাসের মধ্যে এ স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ সম্পন্ন হব বলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়। স্টেডিয়ামটি নির্মান শেষ হলে জেলায় ক্রীড়া উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়গণ জানান।
এদিকে একটি মহল স্টেডিয়ামের কাজকে বাধাগ্রস্থ করতে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের নামে অপপ্রচার করছে। স্টেডিয়ামে যাওয়ার প্রথম গেইটের রাস্তাটি ইতিপূর্বে ক্রীড়া সংস্থার অনুরোধেই পৌরকর্তৃপক্ষ নির্মান করেন। যে রাস্তাটি এখনও অক্ষত আছে এবং এ রাস্তাটিকে আরো উন্নত করতে ক্রীড়া পরিষদ ব্যবস্থা নিয়েছে। পূর্বের ডিমার গেশন করে রাখা জমির সীমানাতেই সীমানা প্রাচীর নির্মান করা হচ্ছে। এছাড়া কোন রাস্তা বন্ধ করা হয়নি। স্টেডিয়ামের পুরো জায়গাই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। তারা এর উন্নয়ন কাজ করছেন। জেলা ক্রীড়া সংস্থা শুধু রক্ষনা বেক্ষন করে থাকে বলে এমনটাই জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক জনাব মানিক দত্ত। তিনি আরো বলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার এক ইঞ্চি জায়গা ছেড়ে দেয়া বা নেয়ার কোন এখতিয়ার নাই। তবে খালি জায়গা কোন ব্যক্তি যদি দখল করে থাকেন, তাকে তো তা ছেড়ে দিতেই হবে। এ নিয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও ভূয়া তথ্য অপপ্রচার করে কোন লাভ নেই। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকায় ২৩ ফেব্রুয়ারী তারিখে প্রকাশিত একটি মিথ্যা সংবাদেরও প্রতিবাদ জানান জনাব মানিক দত্ত। ভবিষ্যতে সত্যতা যাছাই করে সংবাদ পরিবেশনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট পত্রিকার কর্তৃপক্ষ ও সাংবাদিককে আহ্বান জানান।

 

Charu Barta24 । । চারু বার্তা ২৪

মন্তব্য করুন